জাতীয় সঙ্গীত
বৃহস্পতিবার | ১৫-১০-২০২৬ |
পাটুয়াভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়

পাটুয়াভাঙ্গা, ‍বাগপাড়া,ডাকঘরঃ হোসেন্দী, পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ

স্থাপিতঃ ০১/০১/১৯৯৩ খ্রিঃ
EIIN: 110577 | MPO Code: 3911181301
School Code: 7961
সর্বশেষ নোটিশ
08
Oct
এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি -২০২৬ইং - সময়ঃ- দুপুর ০১:০০ থেকে বিকাল ০৪:০০ পর্যন্ত।
বিস্তারিত

17
Sep
আমন্ত্রণ পত্র

31
Aug
প্রথম উপজেলা গার্ল গাইডস্ ক্যাম্পি - ২০২৬ খ্রিঃ
বিস্তারিত

আমাদের কথা

স্বপ্ন যেখানে ডানা মেলে । জ্ঞানের জন্য এসো কর্মের জন্য বেরিয়ে যাও। পাটুয়াভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় ।

সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

পাটুয়াভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়

PATUABHANGA HIGH SCHOOL (EIIN : 110577)


সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ-
প্রত্যেক সৃষ্টির পেছনে থাকে কিছু কথা, কিছু ইতিহাস এবং কিছু মানুষের শ্রম, মেধা, ত্যাগ ও অবদান। পাটুয়াভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ও এর ব্যতিক্রম নয়। কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলাধীন পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়নের নামানুসারে বিদ্যালয়টির নামকরণ করা হয়েছে।
লোকসংখ্যা ও আয়তনের দিক থেকে পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়ন বৃহৎ হলেও শিক্ষার দিক থেকে একসময় এ অঞ্চলটি উপজেলার অন্যান্য এলাকার তুলনায় অনেক পিছিয়ে ছিল। এলাকার ছেলে-মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি এবং শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার মহান উদ্দেশ্যে স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিবর্গের উদ্যোগে এ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।


প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট:-
বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পূর্বে পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়নে মাত্র দুটি উচ্চ বিদ্যালয় ছিল, যেগুলো পাটুয়াভাঙ্গা গ্রাম থেকে অনেক দূরে অবস্থিত ছিল। ফলে যাতায়াতের অসুবিধার কারণে এলাকার অনেক অভিভাবক তাদের ছেলে-মেয়েদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিতে পারতেন না।
এলাকার কিছু সচেতন ব্যক্তি বহু কষ্ট করে পার্শ্ববর্তী হোসেন্দী উচ্চ বিদ্যালয় ও নারান্দী উচ্চ বিদ্যালয়ে সন্তানদের পড়াশোনা করালেও বৃহত্তর এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য নিজ এলাকায় একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয়তা ক্রমেই তীব্র হয়ে ওঠে।
এই প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে এলাকার কয়েকজন নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন—
জনাব মোঃ যুবায়েদ আলী (বীর মুক্তিযোদ্ধা)
জনাব মোঃ আবু বকর ছিদ্দিক
জনাব এ্যাড. মোঃ সোহরাব উদ্দিন
জনাব নুরুল ইসলাম
জনাব মোঃ আজিজুল হক
জনাব মোঃ আবদুর রহমান
জনাব মোঃ শামছুদ্দিন
এবং এলাকার আরও অনেক সমাজসচেতন ব্যক্তি।
বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কাজে স্থানীয় জনগণ জমি, অর্থ, কাঠ, বাঁশ, টিন, মাটি এবং বিভিন্ন সময়ে ধানসহ নানাভাবে সহযোগিতা করেন। তাঁদের সম্মিলিত শ্রম, ত্যাগ ও সহযোগিতার ফলেই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে পাটুয়াভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়।
প্রতিষ্ঠাতা:-
জনাব মোঃ যুবায়েদ আলী (বীর মুক্তিযোদ্ধা) — বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা।
দান-অনুদান সংগ্রহে প্রধান ভূমিকা
জনাব মোঃ আলী আকবর (তাজবালি)
সাবেক চেয়ারম্যান, পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ।
বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক পর্যায়ে দান-অনুদান সংগ্রহ এবং স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
প্রথম এডহক কমিটি:-প্রথম এডহক কমিটির সভাপতি ছিলেন—

জনাব মোঃ আবু বকর ছিদ্দিক।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
বিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সাবেক নৌপরিবহন উপমন্ত্রী ও তৎকালীন মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব এ.বি.এম. জাহিদুল হক, পাকুন্দিয়া-হোসেনপুর আসন, কিশোরগঞ্জ-২ (১৬৩)।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের তারিখ: ০১/০১/১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দ।
প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক-কর্মচারী
বিদ্যালয়ের প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে ছিলেন—
১. জনাব মোঃ আবু বকর ছিদ্দিক — ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক
২. মোঃ আঃ আহাদ — প্রধান শিক্ষক
৩. জনাব মোঃ সাহাব উদ্দিন — সহকারী শিক্ষক (সমাজবিজ্ঞান)
৪. জনাব মোঃ আনোয়ার হোসাইন — সহকারী শিক্ষক (মৌলভী)
৫. জনাব মোঃ ফরিদ উদ্দিন — সহকারী শিক্ষক (শরীরচর্চা)
৬. জনাব হাদিউল ইসলাম — সহকারী শিক্ষক (গণিত), বর্তমানে সহকারী প্রধান শিক্ষক
৭. জনাব মোঃ সিরাজউদ্দিন (বীর মুক্তিযোদ্ধা) — অফিস সহকারী
৮. জনাব মোঃ মুকুল মিয়া — দপ্তরি, বর্তমানে নিরাপত্তাকর্মী, মজনু মিয়া - নৈশ্যপ্রহরী

বিদ্যালয়ের অনুমতি বিদ্যালয়টি সরকারি বিধি মোতাবেক তিন বছর পরিচালনার পর অনুমতির জন্য ময়মনসিংহ আঞ্চলিক অফিসে আবেদন করে। তৎকালীন আঞ্চলিক কর্মকর্তা মিসেস ফেরদৌস জাহান চৌধুরী সরেজমিনে বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।

তিনি বিদ্যালয়ের পারিপার্শ্বিক পরিবেশ, এলাকার জনগণের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে ০১/০১/১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দে বিদ্যালয় পরিচালনার অনুমতি প্রদান করেন এবং স্বীকৃতির জন্য আবেদন করার পরামর্শ দেন।
জুনিয়র বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি
অনুমতি লাভের পর অল্প সময়ের মধ্যেই বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনুমতির শর্তসমূহ পূরণ করে স্বীকৃতির জন্য আবেদন করে। পরবর্তীতে মিসেস রেহানা চৌধুরী পুনরায় সরেজমিনে বিদ্যালয় পরিদর্শন করে মহাপরিচালক বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করেন।
প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর মহাপরিচালক মহোদয়ের আদেশক্রমে ০১/০১/১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে বিদ্যালয়টি জুনিয়র বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
এ কাজে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন জনাব এ.কে.এম. শামছুল হক (গোলাপ মিয়া), সাবেক সংসদ সদস্য, পাকুন্দিয়া-হোসেনপুর, কিশোরগঞ্জ-২ (১৬৩)।
জুনিয়র হিসেবে এমপিওভুক্তি
বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন বিনা বেতনে দায়িত্ব পালন করেন। এমপিওভুক্ত না হওয়ায় তাঁরা পরিবার-পরিজন নিয়ে অত্যন্ত কষ্টকর জীবনযাপন করছিলেন।
অবশেষে ০১/০৪/২০০১ খ্রিস্টাব্দে জুনিয়র বিদ্যালয় হিসেবে প্রথম পর্যায়ে মোট ৭ জন শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত হন।এই কাজে সহযোগিতা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক এম,পি,ড: আলাউদ্দিন সাহেব পাকুন্দিয়া, হোসেন পুর,১৬৩ কিশোর গঞ্জ (০২)।
উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে অনুমতি
বিদ্যালয়টি পরবর্তীতে মাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নীত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করে ০১/০১/২০০৩ খ্রিস্টাব্দ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা কর্তৃক পাটুয়াভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে অনুমতি লাভ করে।
বিদ্যালয় কোড: ৭৯৬১।
উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্বল্প সময়ের মধ্যেই অনুমতির সকল শর্ত পূরণ করায় ০১/০১/২০০৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে বিদ্যালয়টি উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে এমপিওভুক্তি
উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি লাভের পর প্রয়োজনীয় সকল শর্ত পূরণ করায় বিদ্যালয়টি ০১/০৫/২০১০ খ্রিস্টাব্দে উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে এমপিওভুক্ত হয়।
এ ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সহযোগিতা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর ও সাবেক সংসদ সদস্য জনাব ডক্টর আলাউদ্দিন, তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা। তিনি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ আঃ আহাদ-কে সঙ্গে নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন এবং বিদ্যালয়ের এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা করেন।
বিষয় ও শ্রেণি শাখা সম্প্রসারণ
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী আধুনিক, বিজ্ঞানমনস্ক ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, কৃষিশিক্ষা ও কম্পিউটার শিক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় চালুর অনুমতি লাভ করে।
এছাড়া ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণিতে দুটি করে অতিরিক্ত শ্রেণি শাখার অনুমতিও ০১/০১/২০১২ খ্রিস্টাব্দ থেকে পাওয়া যায়।

▶️বর্তমানে কর্মরত শিক্ষক, কর্মচারীগণেরঃ-
ক্রমিক নং - নাম - পদবী -
​০১. মোঃ আঃ আহাদ — প্রধান শিক্ষক
০২. হাদীউল ইসলাম — সহকারী প্রধান শিক্ষক
০৩. ফরিদ উদ্দিন — সিনিয়র সহকারী শিক্ষক
০৪. সনজীব কুমার মোদক — সিনিয়র সহকারী শিক্ষক
০৫. মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম —সিনিয়র সহকারী শিক্ষক
০৬. নাজমুন নেছা — সিনিয়র সহকারী শিক্ষক
০৭. মুহাম্মদ হুমায়ুন কবির — সিনিয়র সহকারী শিক্ষক
০৮. হানিফ মিয়া — সহকারী শিক্ষক
০৯. ছাকিনা — সহকারী শিক্ষক
১০, আবু বক্কর সিদ্দিক — সহকারী শিক্ষক
১১. খালেদা আক্তার — সহকারী শিক্ষক
১২. রুবিনা খাতুন — সহকারী শিক্ষক
১৩. শামীম আহসান — সহকারী শিক্ষক
১৪. আবদুর রহমান — সহকারী শিক্ষক
১৫. নাজমুল ইসলাম — সহকারী শিক্ষক
১৬. শরীফ — সহকারী শিক্ষক
১৭. চাঁদনী — কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর
১৮. আলফাজ উদ্দিন — অফিস সহায়ক
১৯. মুকুল মিয়া — নিরাপত্তাকর্মী
২০. মজনু মিয়া — নৈশ প্রহরী
২১. চুমকী — পরিচ্ছন্নতাকর্মী
২২. রোমা খাতুন — আয়া

▶️অবসরপ্রাপ্ত, বদলি ও খন্ডকালীনঃ-
০১. সাহাবউদ্দিন (সহকারী প্রধান শিক্ষক)
০২. মোঃ আনোয়ার হোসাইন (সহকারী শিক্ষক)
০৩. নজরুল ইসলাম (সহকারী শিক্ষক)
০৪, জাহাঙ্গীর আলম (সহকারী শিক্ষক)
০৫. বাদল চন্দ্র বর্মন (সহকারী শিক্ষক)
০৬. হেলাল উদ্দিন ভুঁইয়া (সহকারী শিক্ষক)
০৭. সুমি আক্তার ( সহকারী শিক্ষক)
০৮. জান্নাতুল সুলতানা মুন (সহকারী শিক্ষক)
০৯. শাকিল (সহকারী শিক্ষক)
১০. নুরুল আমিন (সহকারী
শিক্ষক)
১১. দ্বীন ইসলাম (সহকারী শিক্ষক)

১২. তাসলিমা আক্তার ( সহকারী শিক্ষক) 

১৩, বিল্লাল হোসেন (সহকারী শিক্ষক) 

১৪,

১৫. সিরাজ উদ্দীন (কেরানী)
১৬. আরাফাত হোসাইন (নিন্মমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর)

(জ্যেষ্টতার ক্রমানুসারে নয়)


➡️শিক্ষাক্ষেত্রে সাফল্য
বিদ্যালয়ের শিক্ষাক্ষেত্রে সাফল্যের ধারাবাহিকতা অত্যন্ত গৌরবের। ২০০৫ খ্রিস্টাব্দে সর্বপ্রথম এসএসসি পরীক্ষায় ৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এবং তাঁদের মধ্যে ৭ জন উত্তীর্ণ হয়ে পাকুন্দিয়া উপজেলায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। এ সাফল্যে সমগ্র এলাকায় বিদ্যালয়টি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।
পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের সুযোগ্য ও নবীন শিক্ষকবৃন্দের অক্লান্ত শ্রম, মেধা ও দক্ষতা এবং পরিচালনা কমিটির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় ২০০৭ খ্রিস্টাব্দে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ২ জন শিক্ষার্থী প্রথমবারের মতো ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করে।
এছাড়া ২০০৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বিদ্যালয়টি কিশোরগঞ্জ জেলায় সপ্তম স্থান অর্জন করে সারা জেলায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।
এরপর থেকে অদ্যাবধি বিদ্যালয়টি ধারাবাহিকভাবে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করে আসছে।
শিক্ষার্থী সংখ্যা ও অগ্রযাত্রা
বিদ্যালয়ের প্রথম ক্লাস শুরু হওয়ার দিন মাত্র ৩ জন শিক্ষার্থী নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়েছিল। সেই ক্ষুদ্র সূচনা থেকে ধীরে ধীরে বিদ্যালয়টি আজ একটি বৃহৎ ও সুপ্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।
কালের পরিক্রমায় শিক্ষার্থী সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিদ্যালয়টি এলাকার শিক্ষার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
অবকাঠামোগত উন্নয়ন
বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। বিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—
শেখ রাসেল ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব
সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার,
বিজ্ঞানাগার,মেয়েদের কমন রুম
৩ তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন
২ তলা বিশিষ্ট আশ্রয়কেন্দ্র
কয়েকটি হাফ-বিল্ডিং
বিদ্যালয়ের চারদিকে সীমানাপ্রাচীর
প্রধান দুটি গেইট
ফুলের বাগান ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা
এসব উন্নয়নের ফলে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি সুন্দর, নিরিবিলি, মনোরম ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
প্রধান শিক্ষকের অবদান
বিদ্যালয়ের দীর্ঘ অগ্রযাত্রায় প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ আঃ আহাদ, বি.এ., বি.এড., এম.এ.-এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি ০৩/০৩/১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন এবং দীর্ঘ কর্মজীবনে বিদ্যালয়ের শিক্ষা, অবকাঠামো, প্রশাসন ও সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।
সহশিক্ষা ও প্রতিযোগিতামূলক কার্যক্রম
পাটুয়াভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় শুধু একাডেমিক শিক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন শিক্ষা, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত অংশগ্রহণ করে সাফল্য অর্জন করে আসছে।
বিভিন্ন ইভেন্ট ও প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ১ম ও ২য় স্থানসহ বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননা অর্জন করেছে।
জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিবছর ভালো ফলাফল করে কিশোরগঞ্জ জেলা ও পাকুন্দিয়া উপজেলার শিক্ষাক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের সুনাম ও অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করে চলেছে।
বর্তমান অগ্রযাত্রা
প্রতিষ্ঠার পর থেকে পাটুয়াভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে আজ একটি সুপ্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। প্রতিষ্ঠাতা, শিক্ষক-কর্মচারী, পরিচালনা কমিটি, অভিভাবক, শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং এলাকার সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত শ্রম, মেধা, ত্যাগ ও সহযোগিতাই এ দীর্ঘ পথচলার মূল শক্তি।
বিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য হলো—শিক্ষার্থীদের আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের পাশাপাশি নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ, দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।
“শিক্ষাই আলো, চলো জ্ঞানের পথে, গড়ি সুন্দর ভবিষ্যৎ”—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে পাটুয়াভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় তার শিক্ষা ও উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে।
— চলমান —

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

পাটুয়াভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়, পাকুন্দিয়া কিশোরগঞ্জ। শিক্ষার্থীদের সৎ, যোগ্য, আদর্শ দেশপ্রেমিক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।

প্রতিষ্ঠাতা
মোঃ জুবায়েদ আলী

বীর মুক্তিযোদ্ধা

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি
আবু বকর ছিদ্দিক

সিনিয়র সহকারি শিক্ষক হোসেন্দি উচ্চ বিদ্যালয়

বর্তমান সভাপতি (এডহক)
আবদুল্লাহ আল্ মুনসুর (আনাস)

উপাদক্ষ পাকুন্দিয়া সরকারি কলেজ,পাকুন্দিয়া কিশোরগঞ্জ।

প্রধান শিক্ষক
মোঃ আঃ আহাদ

প্রধান শিক্ষক বি এ বিএড ,এম এ

Institute Location Google Map

সংবাদ ও ঘটনাবলী

প্রতিষ্ঠাতা
মোঃ জুবায়েদ আলী

বীর মুক্তিযোদ্ধা

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি
আবু বকর ছিদ্দিক

সিনিয়র সহকারি শিক্ষক হোসেন্দি উচ্চ বিদ্যালয়

বর্তমান সভাপতি (এডহক)
আবদুল্লাহ আল্ মুনসুর (আনাস)

উপাদক্ষ পাকুন্দিয়া সরকারি কলেজ,পাকুন্দিয়া কিশোরগঞ্জ।

প্রধান শিক্ষক
মোঃ আঃ আহাদ

প্রধান শিক্ষক বি এ বিএড ,এম এ

Institute Location Google Map