জাতীয় সঙ্গীত
মঙ্গলবার | ১৭-০২-২০২৬ |
পাটুয়াভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়

পাটুয়াভাঙ্গা, ‍বাগপাড়া,ডাকঘরঃ হোসেন্দী, পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ

স্থাপিতঃ ০১/০১/১৯৯৩ খ্রিঃ
EIIN: 110577 | MPO Code: 3911181301
School Code: 7961
সর্বশেষ নোটিশ
19
Dec
ড্রোন ক্যামেরা থেকে পাটুয়াভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়, পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ।
বিস্তারিত

05
Nov
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি গঠন সংক্রান্ত পূর্বের পরিপত্রটি ৩ মাসের জন্য স্থগিত প্রসঙ্গে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়-
বিস্তারিত

05
Nov
পাটুয়াভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়, পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ। নির্বাচনী/বার্ষিক পরীক্ষা - ২০২৫ খ্রি. সময়সূচী:
বিস্তারিত

আমাদের কথা

স্বপ্ন যেখানে ডানা মেলে । জ্ঞানের জন্য এসো কর্মের জন্য বেরিয়ে যাও। পাটুয়াভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় ।

সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

সংক্ষিপ্ত পিছনের কথা: প্রত্যেক সৃষ্টির পিছনে থাকে কিছু কথা কিছু ইতিহাস , এর পিছনে থাকে কিছু কিছু মানুষের শ্রম, মেধা, ত্যাগ ও কারণ। অত্র,পাটুয়াভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়টিও এর ব্যতিক্রম নয়। কিশোরগঞ্জ জেলার অর্ন্তগত পাকুন্দিয়া উপজেলাধীন পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়নের নামে নামকরন করা হয়েছে। লোকসংখ্যাও আয়তনের দিক থেকে অত্র এলাকাটি বৃহৎ হলেও শিক্ষার দিক থেকে ছিল উপজেলার সব চেয়ে  পিছনে । তাই শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে প্রতিষ্ঠা করা হয় অত্র  বিদ্যালয়টি। ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন:- বিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন সাবেক নৌপরিবহন উপমন্ত্রী জনাব, এ,বি,এম জাহিদুল হক মাননীয় সংসদ সদস্য পাকুন্দিয়া হোসেনপুর (১৬৩ কিশোরগঞ্জ (২)। ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন তারিখ :- ০১/০১/১৯৯৫ ইং। কমিটি :- প্রথম এডহক কমিটির সভাপতি:- জনাব, মো: আবু বকর ছিদ্দিক। প্রতিষ্টাতা: - জনাব, মো: যুবায়েদ আলী ( বীর মুক্তিযোদ্ধা) । দান অনুদান সংগ্রহকারী প্রধান:- জনাব, মো: আলী আকবর (তাজবালি) সাবেক চেয়ারম্যান পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ। প্রতিষ্টাকালীন শিক্ষক কর্মচারী:- জনাব,মো: আবু বকর ছিদ্দিক (ভারপ্রাপ্ত প্রধান ), মোঃ আ: আহাদ (প্রধান শিক্ষক) জনাব, মো: সাহাব উদ্দিন (সহকারী শিক্ষক সমাজ) জনাব, মো:আনোয়ার হোসাইন (সহকারী শিক্ষক মৌলভী), জনাব, মো: ফরিদ উদ্দিন (সহকারী শিক্ষক শরীর চর্চা), হাদিউল ইসলাম (সহকারী শিক্ষক গণিত) বর্তমান সহকারী প্রধানশিক্ষক,  জনাব, মো: সিরাযুদ্দিন (বীর মুক্তিযুদ্বা) অফিস সহকারী, জনাব, মো: মুকুল মিয়া দপ্তরি, বর্তমান নিরাপত্তা কর্মী মজনু মিয়া। বিদ্যালয়টি ০১/০১/১৯৯৩ খ্রীঃ স্থাপিত হওয়ার পূর্বে মাত্র দুটি উচ্চ বিদ্যালয় ছিল অত্র ইউনিয়নে, যা অত্র গ্রাম থেকে অনেক দূরে ছিল। অত্র এলাকা থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্টানগুলো দূরে থাকায় অনেকেই ছেলে মেয়েদেরকে লেখাপড়া করাতে পারতেন না। তাই কিছু সচেতন ব্যক্তি বহুকষ্টে পার্শ্ববর্তী হোসেন্দী উচ্চ বিদ্যালয় ও নারান্দি উচ্চ বিদ্যলয়ে লেখাপড়া করালেও এরপূর্বে অত্র উপজেলায় শিক্ষার একমাত্র মাধ্যম ছিল কোদালিয়া, এস.আই.শহরউল্লহ উচ্চ বিদ্যালয় । তাই এলাকার ছেলে মেয়েদের শিক্ষার দিক বিবেচনা করে অত্র এলাকার কিছু সংখ্যক ব্যক্তি যাহাদের নাম না বললেই নয়, জানাব, মো: যুবায়েদ আলী (বীর মুক্তিযুদ্ধা) জনাব, মো: আবু বকর ছিদ্দিক, জনাব, এ্যাড: মোঃ সোহরাব উদ্দিন, জনাব নুরুল ইসলাম, জনাব মো: আজিজুল হক, জনাব, মো:আবদুর রহমান, জনাব মো: শামছুদ্দিন প্রমুখ। এ ছাড়াও অনেকেই তাদের জমি, অর্থ , কাঠ , বাঁশ, টিন , মাটি দিয়ে এবং সময়ে সময়ে ধান সাহায্য করে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছেন । বিদ্যালয়ের অনুমতি:- বিদ্যালয়টি সরকারি বিধি মোতাবেক তিন বছর চলার পর অনুমতির জন্য ময়মনসিংহ আঞ্চলিক অফিসে আবেদন করলে তৎকালীন আঞ্চলিক কর্মকর্তা মিসেস ফেরদৌস জাহান চৌধুরী নিজে সরেজমিনে পরিদর্শন করে বিদ্যালয়ের পারিপার্শ্বিক পরিবেশ, এলাকার জনগণের স্বতঃস্ফুর্ততা এবং বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে ০১/০১/১৯৯৬ খ্রীঃ অনুমতি প্রদান করেন ও স্বীকৃতির জন্য আবেদন করার পরামর্শ দেন । জুনিয়র বিদ্যালয় হিসাবে স্বীকৃতি:- বিদ্যালয়টি অনুমতি পাওয়ার অল্প দিনের মধ্যে অনুমতির শর্তসমূহ পূরণ হওয়ায় স্বীকৃতি জন্য আবেদন করলে মিসেস রেহানা চৌধুরী পুনরায় সরেজমিনে পরিদর্শন করে মহাপরিচালক বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করেন । উক্ত প্রতিবেদন প্রাপ্ত হলে মহাপরিচালক মহোদয় ০১/০১/১৯৯৬ খ্রীঃ থেকে স্বীকৃতি প্রদানের আদেশ দেন। উক্ত আদেশ প্রাপ্ত হয়ে আঞ্চলিক কর্মকর্তা মহোদয় ০১/০১/১৯৯৬ খ্রীঃ স্বীকৃতি প্রদান করেন। উক্ত কাজে সার্বিকভাবে সহায়তা করেন জনাব, এ কে এম সামছুল হক গোলাপ মিয়া (সাবেক সংসদ সদস্য) পাকুন্দিয়া হোসেনপুর ১৬৩- কিশোরগঞ্জ ( ২)। জুনিয়র হিসেবে এমপিও: - বিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মচারীবৃন্দ দীর্ঘ দিন যাবৎ বিনা বেতনে শিক্ষকতা করলে ও এম,পি,ও ভুক্ত না হওয়ায় তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করলে সর্ব প্রথম ০১/০৪/২০০১ খ্রীঃ জুনিয়র হিসেবে মাত্র সাত জন শিক্ষক কর্মচারি এম,পি,ও ভূক্ত হন। উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে অনুমতি:- বিদ্যালয়টি সর্বপ্রথম ০১/০১/২০০৩ খ্রীঃ থেকে পাটুয়াভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকা থেকে অনুমতি প্রাপ্ত হয় । যার কোড নং ৭৯৬১ । উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি:- বিদ্যালয়টি অনুমতির শর্তসমুহ স্বল্প সময়ে সম্পূর্ণ করায় ০১/০১/২০০৬ খ্রীঃ থেকে উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয়। উচ্চ বিদ্যালয় হিসাবে এম, পি, ও ভূক্তি:- বিদ্যায়লটি উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর সকল শর্ত পূরণ করায় ০১/০৫/২০১০ খ্রীঃ , উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে এম, পি, ও ভূক্ত হয়। এক্ষেত্রে যিনি সবচেয়ে বেশি সহায়তা করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক ভিসি সাবেক সংসদ সদস্য জনাব ডক্টর আলাউদ্দিন (উপদেষ্টা শিক্ষা বিষয়ক) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যিনি প্রধান শিক্ষক জনাব, মোঃ আ: আহাদ সাহেব কে সঙ্গে নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। বিজ্ঞান, ব্যবসাশিক্ষা, কৃষিশিক্ষা, কম্পিউটার শিক্ষা ও অতিরিক্ত শ্রেণী শাখা অনুমতি:- বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং তাদের চাহিদা ও আধুনিক বিজ্ঞান মনস্ক তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষা গ্রহনের লক্ষ্যে বিজ্ঞান বিষয় ব্যবসাশিক্ষা, কৃষিশিক্ষা,কম্পিউটার বিষয় এবং ৬ষ্ট, সপ্তম শ্রেণীতে দুইটি অতিরিক্ত শ্রেনী শাখার অনুমতি ০১/০১/২০১২ খ্রীঃ থেকে প্রাপ্ত হয় । সাফল্যঃ- ২০০৫ খ্রী: সর্ব প্রথম যখন এস.এস.সি পরীক্ষায় ০৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এবং ০৭ জন শিক্ষার্থী পাশ করে উপজেলায় দ্বিতীয় স্থান দখল করে তখনই সমগ্র এলাকায় ব্যাপক সাড়া পরে যায় , বিদ্যালয়ের সুযোগ্য নবীন শিক্ষকগণের অক্লান্ত শ্রম, মেধা এবং দক্ষ্য পরিচালনা কমিটির পরিচলানায় ২০০৭ ইং খ্রীঃ জুনিয়র বৃত্তি পরিক্ষায় দুই জন শিক্ষার্থী সর্ব প্রথম ট্যালেন্টপোলে বৃত্তি পায় , এবং এস.এস.সি (২০০৭খ্রী: )পরীক্ষায় অত্র জেলায় সপ্তম স্থান অধিকার করে সারা জেলায় আলোড়ন সৃষ্টি করে । এরপর থেকে অধ্যাবধি বিদ্যালয়টি কাঙ্কিত ফলাফল করে আসছে। বিদ্যালয়টিতে যে দিন প্রথম ক্লাস শুরু হয় , সে দিন মাত্র তিন জন ছাত্র ছিল । তাদের নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও কালের পরিক্রমায় হাটি হাটি পা পা করে অত্র বিদ্যালয়ে বর্তমান শিক্ষা বর্ষে (২০১৬খ্রী:) ৮৩১ জন শিক্ষার্থী রয়েছে । অত্র বিদ্যালয়ের সুযোগ্য প্রধান শিক্ষক মো: আ: আহাদ বি.এ, বি. এড. এম.এ.। তিনি ০৩-০৩-১৯৯৬ সাল থেকে অত্র বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন। তিনি বিদ্যালয়টিতে অমূল পরিবর্তন এনেছেন ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে শেখ রাসেল ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব , গ্রন্থগার, বিজ্ঞানগার, ৩ তলা বিশিষ্ট বিল্ডিং, ১টি ২ তলা আশ্রয় কেন্দ্র, কয়েকটি হাফ বিল্ডিং ও স্কুলের চার দিকে বাউন্ডারি প্রধান দু'টি গেইট সহ ফুল বাগান বিভিন্ন গাছপালা রোপন সহ বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার নিরিবিলি মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। প্রতি বছরেই জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় কিশোরগঞ্জ জেলা, পাকুন্দিয়া উপজেলার মাঝে ফলাফলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে থাকে। জাতীয় পর্যারে জেলা এবং উপজেলায় বিভিন্ন ইভেন্ট/ প্রতিযোগিতায় ১ম এবং ২য় স্থান অর্জন করে থাকে। (চলমান)

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

পাটুয়াভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়, পাকুন্দিয়া কিশোরগঞ্জ। শিক্ষার্থীদের সৎ, যোগ্য, আদর্শ দেশপ্রেমিক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।

প্রতিষ্ঠাতা
মোঃ জুবায়েদ আলী

বীর মুক্তিযোদ্ধা

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি
আবু বকর ছিদ্দিক

সিনিয়র সহকারি শিক্ষক হোসেন্দি উচ্চ বিদ্যালয়

বর্তমান সভাপতি (এডহক)
আবদুল্লাহ আল্ মুনসুর (আনাস)

উপাদক্ষ পাকুন্দিয়া সরকারি কলেজ,পাকুন্দিয়া কিশোরগঞ্জ।

প্রধান শিক্ষক
মোঃ আঃ আহাদ

প্রধান শিক্ষক বি এ বিএড ,এম এ

Institute Location Google Map

সংবাদ ও ঘটনাবলী

প্রতিষ্ঠাতা
মোঃ জুবায়েদ আলী

বীর মুক্তিযোদ্ধা

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি
আবু বকর ছিদ্দিক

সিনিয়র সহকারি শিক্ষক হোসেন্দি উচ্চ বিদ্যালয়

বর্তমান সভাপতি (এডহক)
আবদুল্লাহ আল্ মুনসুর (আনাস)

উপাদক্ষ পাকুন্দিয়া সরকারি কলেজ,পাকুন্দিয়া কিশোরগঞ্জ।

প্রধান শিক্ষক
মোঃ আঃ আহাদ

প্রধান শিক্ষক বি এ বিএড ,এম এ

Institute Location Google Map